মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,চট্রগ্রামঃ
আকবর শাহ থেকে পাহাড়তলী পর্যন্ত রেললাইন ও সংলগ্ন বস্তি এলাকাগুলো দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে মাদকের একটি বড় ট্রানজিট এই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাদের অভিযোগ, রেললাইনের দুই পাশজুড়ে গড়ে ওঠা ছোট ছোট খুপরি ও অস্থায়ী ঘরকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি ও হাতবদলের কার্যক্রম চলছে।
স্থানীয়দের দাবি, এসব খুপরিতে ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক সহজেই পাওয়া যায়। পাশাপাশি এলাকায় সক্রিয় রয়েছে একাধিক খুচরা মাদক বিক্রেতা। ফলে বিভিন্ন বয়সী মানুষ, বিশেষ করে তরুণ ও কিশোরদের কাছে মাদক সহজলভ্য হয়ে উঠেছে।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রেললাইনের আশপাশে উঠতি বয়সী তরুণদের জটলা। কয়েকটি স্থানে প্রকাশ্যে গাঁজা সেবনের ঘটনাও চোখে পড়ে। মূল সড়কের পশ্চিম পাশের কিছু খুপরি থেকে লোকজনকে বের হয়ে রেলস্টেশনমুখী যেতে দেখা যায়। স্থানীয়দের ভাষ্য, এসব স্থানে নিয়মিত মাদকের লেনদেন হয়ে থাকে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বাসিন্দা জানান, মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে। তাদের অভিযোগ, খুপরিগুলোতে মাদক বিক্রি হলেও এর পেছনে রয়েছে এলাকার কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি, যারা স্থানীয়ভাবে ‘বড় ভাই’ হিসেবে পরিচিত। মাদক ব্যবসা থেকে তারা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের এই অবাধ বাণিজ্য চললেও দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাব রয়েছে। ফলে এলাকার সামাজিক পরিবেশ ক্রমেই অবনতি ঘটছে এবং তরুণ সমাজের একটি অংশ মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কা বাড়ছে।
এ অবস্থায় দ্রুত মাদক বিক্রির স্থানগুলো চিহ্নিত করে বিশেষ অভিযান পরিচালনা, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং নিয়মিত নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
তাদের বিশ্বাস, প্রশাসনের সমন্বিত ও কঠোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হলে আকবর শাহ–পাহাড়তলী রেললাইনসংলগ্ন এলাকাকে মাদকমুক্ত করা সম্ভব হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মোহাম্মদ আলী রাশেদ, চেয়ারম্যান : নিশিতা বড়ুয়া, পরিচালক : মুমতাহিনা মুমু
নিউজ নিমুরা প্রধান কার্যলয় : ফজল ভিলা, ৭৪৫/এ, শহীদ মির্জা লেইন, মেহদীবাগ, চট্টগ্রাম। মোবাইল : ০১৭৯৫৯৯৯১০৭
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত