রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল আযহায় চট্টগ্রাম নগরে বর্জ্য অপসারণে ১৪০ ট্রাক, মাঠে থাকবে ৩১০০ পরিচ্ছন্নকর্মী বাংলাদেশ থেকে অস্কারে যাচ্ছে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ফিরছেন শান্ত গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪,২২৯: স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেপ্টেম্বরে বিশ্বজুড়ে খাদ্যের দাম প্রায় ৪ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ সাতকানিয়ায় রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কা, যুবদল নেতাসহ নিহত ২ মুক্তির আগেই গিনেস বুকে আল্লু অর্জুনের ‘রাকা’ প্রেমের গুঞ্জন থেকে ডিভোর্স, শুভশ্রী প্রসঙ্গে মুখ খুললেন দেব ভেনিসের সাগরপাড়ে উজ্জীবিত বাঁধনের আইভরি ম্যাজিক নতুন চুলের ছাঁট নিয়ে হলান্ড, ‘কে কী বলল, তাতে কী আসে যায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ায় ২ শতাংশের বেশি বাড়লো তেলের দাম

রামিসা এখন একটি প্রতীক ক্ষোভের পর কি বদলাবে সমাজ ?

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ৩৩৯ বার পড়া হয়েছে

রামিসা এ নামটি এখন শুধু একটি মেয়ের পরিচয় নয়, বরং পুরো সমাজের বিবেকের সামনে দাঁড়ানো এক কঠিন প্রশ্ন। এক স্কুলছাত্রীর ওপর নির্মম ধর্ষণের অভিযোগ সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে নেমে আসে শোক, ক্ষোভ ও উদ্বেগের ছায়া। তবে প্রশ্ন উঠেছে এই ক্ষোভ কি কেবল সাময়িক আবেগ, নাকি এটি দীর্ঘদিনের সামাজিক ব্যর্থতার মুখোমুখি হওয়ার একটি উপলক্ষ ?

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিকমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। অনেকেই শিশু নিরাপত্তা, সামাজিক সচেতনতা ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। সাধারণ মানুষের ভাষ্য, এমন ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই লজ্জা ও আতঙ্কের বিষয়।

এর মধ্যেই মানবিক একটি উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বিষয়টি সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনেকে এটিকে মানবিক সহমর্মিতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।

তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন—শুধু একটি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই কি যথেষ্ট, নাকি প্রয়োজন এমন একটি সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে এ ধরনের নির্মমতার শিকার হতে না হয় ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা প্রতিরোধে শুধু আইন থাকলেই হবে না; প্রয়োজন পারিবারিক সচেতনতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার, সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা এবং দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা।

তাদের মতে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না গেলে সমাজে ভয় ও অনিরাপত্তা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, পরিবার ও সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

রামিসার ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে উন্নয়ন ও অগ্রগতির নানা আলোচনার মাঝেও মানবিক নিরাপত্তার জায়গায় এখনও বড় ধরনের সংকট রয়ে গেছে। তাই এখন সময় ক্ষণিকের আবেগের বাইরে গিয়ে স্থায়ী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩
৪৫৬৭৮৯১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews