বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল আযহায় চট্টগ্রাম নগরে বর্জ্য অপসারণে ১৪০ ট্রাক, মাঠে থাকবে ৩১০০ পরিচ্ছন্নকর্মী চট্টগ্রামে Legend Foundation-এর উদ্যোগে SSC কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও ক্যারিয়ার নির্দেশন চট্টগ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা মোহাম্মদ নাজেম উদ্দীনের Renth অ্যাপ কিশোর গ্যাং ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে পূর্ব নাছিরাবাদে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল চট্টগ্রামের বাজারে দেড় শ কেজির কোরাল, দাম প্রায় আড়াই লাখ সাতকানিয়ায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে মাহবুবুর রহমানের ত্রাণ বিতরণ চট্টগ্রামের চোরা মার্কেট, ফুটপাত দখলে চোরাই পণ্যের প্রকাশ্য বেচাকেনা, ভোগান্তিতে নগরবাসী মাদক-সন্ত্রাস ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ চট্টগ্রাম ওয়াসায় ২৪২ কর্মকর্তা-কর্মচারীর পদোন্নতি, শেষ হলো ১৩-২০ বছরের অপেক্ষা শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পটিয়া প্রেস ক্লাব থেকে নুর হোসেনের সদস্যপদ বাতিল আইআইইউসি ক্যাম্পাসে ইসলামী ব্যাংকের বুথ থেকে ১৭ লাখ টাকা চুরি, রংপুর থেকে গ্রেপ্তার নিরাপত্তাকর্মী

রামিসা এখন একটি প্রতীক ক্ষোভের পর কি বদলাবে সমাজ ?

  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬
  • ২৭৩ বার পড়া হয়েছে

রামিসা এ নামটি এখন শুধু একটি মেয়ের পরিচয় নয়, বরং পুরো সমাজের বিবেকের সামনে দাঁড়ানো এক কঠিন প্রশ্ন। এক স্কুলছাত্রীর ওপর নির্মম ধর্ষণের অভিযোগ সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে নেমে আসে শোক, ক্ষোভ ও উদ্বেগের ছায়া। তবে প্রশ্ন উঠেছে এই ক্ষোভ কি কেবল সাময়িক আবেগ, নাকি এটি দীর্ঘদিনের সামাজিক ব্যর্থতার মুখোমুখি হওয়ার একটি উপলক্ষ ?

ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সামাজিকমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। অনেকেই শিশু নিরাপত্তা, সামাজিক সচেতনতা ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার দাবি তুলেছেন। সাধারণ মানুষের ভাষ্য, এমন ঘটনা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই লজ্জা ও আতঙ্কের বিষয়।

এর মধ্যেই মানবিক একটি উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি রামিসার বড় বোনের দায়িত্ব নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। বিষয়টি সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। অনেকে এটিকে মানবিক সহমর্মিতার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন।

তবে সচেতন মহলের প্রশ্ন—শুধু একটি পরিবারের পাশে দাঁড়ানোই কি যথেষ্ট, নাকি প্রয়োজন এমন একটি সামাজিক পরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে এ ধরনের নির্মমতার শিকার হতে না হয় ?

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো ঘটনা প্রতিরোধে শুধু আইন থাকলেই হবে না; প্রয়োজন পারিবারিক সচেতনতা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার, সামাজিক মূল্যবোধের চর্চা এবং দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা।

তাদের মতে, অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না গেলে সমাজে ভয় ও অনিরাপত্তা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে প্রতিটি শিশুর নিরাপদ শৈশব নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র, পরিবার ও সমাজকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

রামিসার ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে উন্নয়ন ও অগ্রগতির নানা আলোচনার মাঝেও মানবিক নিরাপত্তার জায়গায় এখনও বড় ধরনের সংকট রয়ে গেছে। তাই এখন সময় ক্ষণিকের আবেগের বাইরে গিয়ে স্থায়ী সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews