রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদুল আযহায় চট্টগ্রাম নগরে বর্জ্য অপসারণে ১৪০ ট্রাক, মাঠে থাকবে ৩১০০ পরিচ্ছন্নকর্মী কক্সবাজারে পেটের ভেতরে লুকানো ১,৫৮০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত মুহাম্মদ সোহেল সিকদার কারাত-২০২৬ মহড়ায় অংশ নিতে চট্টগ্রাম বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ পটিয়ায় ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা আজ আমার কপালে মনে হয় এটাই লেখা, মেনে নিয়েছি: পরীমনি প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো দুর্গোৎসব রাঙ্গামাটি জার্নালিস্ট ক্লাবের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আজিজুল-লোকমান বাংলাদেশ থেকে অস্কারে যাচ্ছে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্টে ফিরছেন শান্ত

বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের কমতে পারে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

বেশি মাত্রায় বুকের দুধ খাওয়ানো নারীদের মধ্যে এইচডিএল বা উপকারী কোলেস্টেরলের মাত্রাও বেশি ছিল। তাদের এইচডিএল কোলেস্টেরলের গড় মাত্রা ছিল প্রতি ডেসিলিটারে ৭৩ দশমিক ৯ মিলিগ্রাম। অন্যদের ক্ষেত্রে এই মাত্রা ছিল ৬৩ দশমিক ০ মিলিগ্রাম।

এছাড়া ক্ষতিকর এলডিএল ও উপকারী এইচডিএল কোলেস্টেরলের অনুপাতও তুলনামূলকভাবে ভালো ছিল বেশি মাত্রায় বুকের দুধ খাওয়ানো নারীদের ক্ষেত্রে।

 

সন্তান জন্মের পর কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস গর্ভাবস্থায় দেখা দিলেও সন্তান জন্মের পর এর প্রভাব পুরোপুরি শেষ হয়ে যায় না। এ ধরনের নারীদের ভবিষ্যতে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকতে পারে।

 

 

গবেষণায় অংশ নেওয়া নারীদের প্রায় ৭৪ শতাংশের সন্তান জন্মের পর কোনো না কোনো ধরনের রক্তে চর্বির অস্বাভাবিকতা দেখা গিয়েছিল। এর মধ্যে ছিল ক্ষতিকর কোলেস্টেরল বেড়ে যাওয়া, ট্রাইগ্লিসারাইড বেড়ে যাওয়া কিংবা ক্ষতিকর ও উপকারী কোলেস্টেরলের অনুপাত অনুকূল না থাকা।

তাই সন্তান জন্মের পরের সময়টিতে রক্তে শর্করা ও চর্বির মাত্রা পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

বুকের দুধে মায়ের শরীরে কী পরিবর্তন হয়?

 

শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় মায়ের শরীর দুধ তৈরির জন্য শক্তি ও পুষ্টি ব্যবহার করে। এ সময় শরীরে শর্করা ও চর্বির বিপাকেও পরিবর্তন ঘটে। ফলে রক্তে থাকা চর্বি এবং শরীরে সঞ্চিত শক্তি ব্যবহারের প্রক্রিয়ায় প্রভাব পড়তে পারে।

 

 

গবেষণার হিসাবে, অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার পর বেশি মাত্রায় বুকের দুধ খাওয়ানো নারীদের রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা প্রতি ডেসিলিটারে ১৫০ মিলিগ্রাম বা তার বেশি হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৭৫ শতাংশ কম ছিল।

 

 

তবে মোট কোলেস্টেরলের মাত্রার সঙ্গে বুকের দুধ খাওয়ানোর পরিমাণের কোনো উল্লেখযোগ্য ধারাবাহিক সম্পর্ক পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ সব ধরনের কোলেস্টেরলের ক্ষেত্রে একই ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়নি।

 

 

বুকের দুধ খাওয়ালেই কি কোলেস্টেরল কমবে?

 

 

এখানেই গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা রয়েছে। গবেষণাটি বুকের দুধ খাওয়ানো এবং স্বাস্থ্যকর রক্তের চর্বির মাত্রার মধ্যে সম্পর্ক দেখিয়েছে। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে বুকের দুধ খাওয়ানোর কারণেই ট্রাইগ্লিসারাইড কমেছে।

 

 

গবেষকেরা ইনসুলিনের প্রতি শরীরের সংবেদনশীলতাসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার পরও এই সম্পর্ক দেখতে পেয়েছেন। তারপরও আরও কিছু বিষয় এই ফলাফলে ভূমিকা রাখতে পারে। তাই এটিকে সরাসরি কারণ ও ফলের সম্পর্ক হিসেবে দেখা যাবে না।

 

 

গর্ভকালীন ডায়াবেটিসের ইতিহাস থাকলে কী করবেন?

 

 

সন্তান জন্মের পর রক্তে শর্করা স্বাভাবিক হয়ে গেলেও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা চালিয়ে যাওয়া জরুরি। রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল, রক্তচাপ, ওজন ও হৃদ্‌রোগের অন্যান্য ঝুঁকি পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে।

 

 

বুকের দুধ খাওয়ানো সম্ভব হলে এর শিশুর জন্য সুপরিচিত উপকারের পাশাপাশি মায়ের বিপাকীয় স্বাস্থ্যের জন্যও কিছু সম্ভাব্য সুবিধা থাকতে পারে—নতুন গবেষণার ফল এমন ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

 

 

তবে সব মায়ের পক্ষে বুকের দুধ খাওয়ানো সম্ভব বা উপযুক্ত নাও হতে পারে। দুধ উৎপাদনে সমস্যা, শারীরিক অসুস্থতা, ওষুধ সেবন কিংবা ব্যক্তিগত পরিস্থিতির কারণে সিদ্ধান্ত ভিন্ন হতে পারে। তাই কোনো মাকে বুকের দুধ খাওয়াতে না পারার জন্য দায়ী করা উচিত নয়।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Theme Customized By BreakingNews