

সৌদি তেল ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, পাইপলাইনটি দ্রুত চালু করা ‘না’ গেলে বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহের সংকট আরও তীব্র হতে পারে। এরই মধ্যে জ্বালানির দাম রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে, বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বন্ডের সুদহার ২০০৮ সালের বৈশ্বিক আর্থিক সংকটের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।
পাইপলাইনটি মেরামতে কত সময় লাগবে, তা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন ধারণা রয়েছে। একজন সূত্র জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতি মেরামতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
এ বিষয়ে সৌদি সরকারের মিডিয়া অফিস ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের কাছে মন্তব্য চাওয়া হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
গত ছয় মাস ধরে, আরব উপদ্বীপের মরুভূমির মধ্য দিয়ে যাওয়া এই পাইপলাইনটি সৌদি আরবকে হরমুজ প্রণালির যুদ্ধকালীন অচলাবস্থার বড় ধরনের প্রভাব থেকে কিছুটা রক্ষা করেছে।
এমবি/নিউজনিমুরা